পোস্টগুলি

মে, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কিডনি পাথুরির হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​      কিডনির বিভিন্ন রোগ (পাথুরি) উপসর্গ বা ব্যথা ও তার হোমিও চিকিৎসা।   কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।  কোমরের পেছন দিকে হালকা চিনচিনে ব্যথা—    কিডনিতে পাথর বা খারাপ ধরনের সংক্রমণ  হলে ব্যথা করে।  এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদ বলেন, কোনো রকম ব্যথা-বেদনা ছাড়াও কিডনি খারাপ হতে পারে। কারণ, কিডনি সমস্যার উপসর্গ সাধারণত দেরিতে দেখা দেয়। তাই যাদের পরিবারে কিডনির অসুখ আছে, তাদের বেশি সচেতন থাকা উচিত।          কিডনি রোগের উপসর্গ বা ব্যথা  কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা  আসা- যাওয়া করে। শোয়া-বসা ক...

হার্নিয়ার (HARNIA) হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​      হার্নিয়ার হোমিও চিকিৎসা     হার্নিয়া আমাদের দেশে সচরাচর দেখা যায় এমন একটি পরিচিত রোগ যাতে নাড়িভূড়ির একটি অংশ উদরগ্রাত্র ভেদ করে অণ্ডথলিতে নেমে যায়। মানুষের পেটের ভিতরে খাদ্যনালী মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং এটি বিশ থেকে ত্রিশ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়৷ হার্নিয়ার ক্ষেত্রে পেটের কিছু দুর্বল অংশ দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ বিশেষ অণ্ডথলিতে চলে আসে৷ তখন কুচকি এবং অণ্ডথলি অস্বাভাবিক ফুলে যায় এবং ব্যথা হয়৷                  হোমিওপ্যাথিতে বিনা অপারেশনে রোগী আরোজ্ঞ                     লাভ করে।                  ডাঃ আইয়ুব রহমানী           DHMS.BHB.MM.STC.NU     অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।     যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন     রোগ  চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।    ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)            ...

টনসিলাইটিসের(টনসিল) হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​      টনসিল এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা                  টনসিল হলো আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি অংশ এবং আমাদের মুখের ভেতরেই চারটি গ্রুপে তারা অবস্থান করে। এদের নাম লিঙ্গুয়াল, প্যালাটাইন, টিউবাল ও অ্যাডেনয়েড। এই টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস। টনসিল বলতে আমরা সচরাচর যা বুঝি, তা কিন্তু আসলে টনসিলাইটিস।    হোমিওপ্যাথিতে বিনা অপারেশনে- হোমিও         নির্বাচিত ঔষুধের দ্বারা চিকিৎসা হয়।                 ডাঃ আইয়ুব রহমানী             DHMS.BHB.MM.STC.NU    অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।      যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন       রোগ  চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।               ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট              (২য় তলা)মিজান রোড -ফেনী।           01829-6...

IBS হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​      আপনি কি IBS এ আক্রান্ত ? আর নয় দেরী  নয়-              চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন।  IBS আই বি এস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা       আইবিএসের (ইরেটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম) রোগীরা দীর্ঘমেয়াদি পেটের সমস্যা, অর্থাৎ বদহজম, আমাশা চিরজীবনের সঙ্গী হয়ে যায়। পেটে হঠাৎ করে মোচড় বা কামড় দেবে এবং সঙ্গে সঙ্গে পায়খানায় যেতে হবে। এমনও ব্যক্তি আছে যার দিনে চার -পাঁচবার বাথরুমে যাওয়া লাগে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠার পর, সকালে নাশতা খাওয়ার পরপরই, বিকালে ও রাতে একবার করে, অনেক সময় খাওয়ার পরপরই বাথরুমে যেতে হবেই। সারা দিন পেট ডাকে ও ভুটভাট করে।           এই রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত কোনো পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। রোগী যে সমস্যা বা রোগের বর্ণনা দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাতেই রোগ নির্ণয় হয়ে যায়। রোগীর মুখের কথায় যাবতীয় লক্ষণ পাওয়া যায়।    আইবিএসের উপসর্গ : বদহজম, পেটের মধ্যে ভুটভাট শব্দ করে, পেটের মধ্যে কো কো করে ডাকে বা আহারের পর পেটের অশান্তি বৃদ্ধিহয়, পায়খানার সাথে বিজল যায়, পেটে কামড় দিয়ে ব্যথা কর...

গ্যাসট্রাইটিস (গ্যাস্ট্রিক) হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​       গ্যাস্ট্রিক এর লক্ষণ  ও হোমিও চিকিৎসা  গ্যাস্টিকের লক্ষণ: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে খিদে কম পায়, পেটে গ্যাস হয়, বুক জ্বালা করে ও পেটের মাঝখানে চিনচিন ব্যথা, বুক ও পেটে চাপ অনুভূত, হজমে অসুবিধা এবং বমি হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বেশি হলে সবাই কম বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে থাকি।আমাদের জানা উচিৎ যে শরীরে গ্যাসের সমস্যা আছে,সে শরীরে যে কোন রোগ সহজে আক্রান্ত করতে পারে।        এ মরণ ব্যাধি থেকে রক্ষা পেতে হলে      দক্ষ হোমিও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।    মনে করবেনা এটি একটি সাধারণ রোগ!!!              ডাঃ আইয়ুব রহমানী              DHMS.BHB.MM.STC.NU অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।     যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন     রোগ  চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।         ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট        (২য় তলা) মিজান রোড -ফেনী।         ০১৮২৯-৬১৮৪৬৭ #০১৮১৫-৯৭০০৪০ ...

MND রোগের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​♦মটর নিউরন ডিজিজের হোমিও চিকিৎসা।       মটর নিউরন হচ্ছে এক ধরণের স্নায়ু, যা শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে।  মটর নিউরন ডিজিজ হলো এক ধরণের স্নায়ুক্ষয় রোগ, যাতে স্নায়ুতন্ত্রের কর্ম সম্পাদনকারী স্নায়ু ক্ষয় প্রাপ্ত হয়।       ১৮৬৯ সালে ফ্রেঞ্চ নিউরোলজিস্ট জেন মার্টিন চারকোট, মটর নিউরন ডিজিজ প্রথম বর্ণনা করেন। এতে মটর নিউরন বা উচ্চ স্থানীয় স্নায়ু ও লোয়ার মটর নিউরন বা নিম্ন স্থানীয় স্নায়ু ক্ষয়ে যায়।  স্নায়ুতন্ত্রের যে অংশের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা নিম্মরুপ- ১. মটর কর্টেক্স, যা মস্তিষ্কের যে অংশ কর্ম সম্পাদনের হেড কোয়ার্টার হিসাবে পরিচিত। ২. স্পাইনাল কর্ড বা শীরদাঁড়ার স্নায়ুতন্ত্র।  ৩. ক্রেনিয়াল নার্ভ বা মস্তিষ্কজাত স্নায়ু। মটর নিউরন ডিজিজ প্রধাণত চার ধরনের- ১. প্রোগ্রেসিভ মাস্কুলার এট্রফি। ২. প্রাইমারি লেটারাল স্ক্লেরোসিস। ৩. প্রোগ্রেসিভ বাল্বার পালসি। ৪. এমায়োট্রফিক লেটারাল স্কেরোসিস।        এমায়োট্রফিক লেটারাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) সব চেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই অনেক সময় মটর নিউরন ডিজিজকে এমায়োট্রফিক লেটারাল স্ক্লেরোস...

টিউমারের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​        টিউমারে হোমিও চিকিৎসা      টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।     টিউমার শব্দটি শুনলে লোকে ভাবে ক্যান্সার, আবার ক্যান্সার শুনলে লোকে ভাবে টিউমার। যেমন লোকে বলে- ব্রেইন টিউমার হয়েছে, কিংবা ব্রেইন ক্যান্সার হয়েছে! কিন্তু দুটোই কি একই! মোটেও নয়। যেমনটা ব্রেস্ট টিউমার কিংবা ব্রেস্ট ক্যান্সার, দুটো একই নয়। টিউমার হলো কিছু অস্বাভাবিক টিস্যুর সমাবেশ, যেখানে কোষগুলো অস্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সংখ্যা বৃদ্ধি করে। টিস্যু মানে একই ধরনের কিছু কোষ, যখন কোথাও এক হয়ে একই ধরনের কাজ করে।    আমাদের শরীরে বিলিয়ন নয়, ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ আছে। ধরা হয় একজন প্রাপ্তবয়স্কের দেহে গড়ে ত্রিশ ট্রিলিয়নের মতো কোষ থাকে।  জন্মের সময় এ সংখ্যা চার শতাংশের এক শতাংশ থাকে। কোষের ভেতর কিছু নিয়মে পুরনো কোষ মরে যায়, নতুন কোষ জন্ম নেয়, আবার কিছু কোষ সাইজে বাড়ে, কিছু কোষ সংখ্যায় বাড়ে। কিন্তু কোন কোষ মরে যাবে এবং কোন কোষ কতগুলো ন...

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​       হাঁপানির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা  হাঁপানি হল শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত একটি রোগ। এ রোগ দীর্ঘমেয়াদি। শ্বাসতন্ত্রে প্রদাহ হলে শ্বাসনালি ফুলে যায়। এরপর ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট, কাশি, বুকের মধ্যে শোঁ শোঁ শব্দ, বুকে চাপ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। এসবের সমন্বিত  নামই হাঁপানি। কেন হয়  (প্যাথলজিকাল ব্যাখ্যা)  হাঁপানির কারণ সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় না। তবে কতগুলো বিষয় রয়েছে, যেগুলো হাঁপানি রোগের উৎপত্তি ও স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে থাকে।   এ রোগ জেনেটিক বা বংশগত কারণে হতে পারে। বংশে কারও এ রোগ থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের যে কারও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।  পশুর লোম, আরশোলা, রেণু, ছত্রাক প্রভৃতি হাঁপানির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।  বায়ুদূষণ, সিগারেটের ধোঁয়া, কারখানার বিভিন্ন উত্তেজক পদার্থ, রঙের ঝাঁজালো গন্ধ, ঠান্ডা হাওয়া, ঝাঁজালো মসলা প্রভৃতির কারণে হাঁপানির আশঙ্কা বেড়ে যায়।   বিভিন্ন ব্যথানাশক ওষুধ, অ্যাসপিরিন, হেরোইন প্রভৃতির অতি ব্যবহারের কারণে হাঁপানি হতে পারে।   মানসিক চাপ, অতিরিক্ত আবেগ প্রবণতাও অনেক ক্ষেত্রে হাঁপানির তীব্রতা ...

ওভারিয়ান সিস্টের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​ওভারিয়ান সিসস্টের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা  বর্তমানকালে ওভারিয়ান সিস্ট এক গুরুতর সমস্যা। যুবতী থেকে মহিলাদের মধ্যে ওভারিয়ান সিস্টের হার অনেকাংশেই বেড়ে গেছে। ওভারির মধ্যে যে মাংস বৃদ্ধি ঘটে, তাই হল ওভারিয়ান সিস্ট। কখনও তা শুধুই মাংসল হয়, কখনও তার মধ্যে তরল পদার্থও জমা থাকে। প্রথমে কোন শারীরিক সমস্যা তৈরি হয় না।, সিস্ট  বাড়ার সাথে সাথে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।                       হোমিওপ্যাথিতে  চিকিৎসাঃ-   রোগিণীর লক্ষন অনুযায়ী নির্ম্ম ঔষুধের দ্বারা        রোগ নির্মূল হয়। Sep. pla. pul. phos. NM.                     Med. Aga. etc            ডাঃ আইয়ুব রহমানী       DHMS.BHB.MM.STC.NU   অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।   যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন     রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।   ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)    মিজান রোড -ফেনী। 01829-618467  ...

প্যারালাইসিস (paralysis)

ছবি
​          প্যারালাইসিসের হোমিও চিকিৎসা ঃ-  পক্ষাঘাত (Paralysis) একপ্রকার দৈহিক বিকার যাতে মাংশপেশী স্বাভাবিক কাজ করতে পারেনা। দুর্বল বা শিথিল বা প্রকারভেদে আড়ষ্ট হয়ে থাকে।এ রোগ শরীরের যে কোন স্থানে দেখা দিতে পারে। এতে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অচল হয়ে পঙ্গুও হতে পারে।  এক বা একাধিক অঙ্গে  বা পুরো শরীরে হতে পারে। অনেক সময়ই পক্ষাঘাতের স্থান অবশ অর্থাৎ স্পর্শ অনুভূতির অভাব হতে পারে। এ রোগ স্বল্পস্থায়ী বা  দীর্ঘ মেয়াদী হতে পারে। পক্ষাঘাত অন্য রোগের উপসর্গ অথবা একাই একটি ভয়াবহ রোগ আকারে হতে পারে। আবার কখনো পক্ষাঘাত খুব মৃদু এবং স্বল্পমেয়াদী হতে পারে যা রোগী  প্রায় টেরও না পেতে পারে। গড়ে পঞ্চাশ জনের মধ্যে একজনের অল্পবিস্তর পক্ষাঘাত পাওয়া যায়।  প্যারালাইসিস হওয়ার কারনঃ- প্যারালাইসিস সাধারনত কর্ম বা ব্যায়াম হীনতা, ষ্ট্রোক জনিত , খাদ্য উপাদান রক্তের মাধ্যমে শরীরের কোন অংশে না পৌছলে আঘাত জনিত ইত্যাদি কারনে প্যারালাইসিস হয়।  আমাদের দেশে প্যারালাইসিসের একটি বড় কারণ হচ্ছে ব্রেইন স্ট্রোক। মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হলে বা রক্তনালী ছিড়ে গেলে স...

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ছবি
​           সিফিলিসের (Syphilis) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা  সিফিলিস একটি যৌনবাহিত রোগ। এই রোগের জীবানুর নাম ট্রেপনোমা প্যালিডাম।     সিফিলিস আক্রান্ত রোগীর সঙ্গে যৌন মিলন/রক্ত গ্রহণ/দুধপানে (এক কথায় সিফিলিস রোগীর তরল পদার্থের সংস্পর্শে এই রোগ হয়ে থাকে)। আবার গর্ভাবস্থায় মায়ের সিফিলিস থেকে থাকলে সন্তানও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।   সাধারণত আক্রান্ত কারো সঙ্গে যৌন মিলনের ২-৪ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ৩ মাস পর্যন্ত দেরি হতে পারে।      কীভাবে বুঝবেন সিফিলিস হয়েছে?     সিফিলিসে আক্রান্ত হলে একেক জনের একেক রকম উপসর্গ দেখা দেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলসারের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে। এরপর সারাদেহে ব্রনের মতো গুটি দেখা দেয় এবং তা বড় হতে থকে। কোনো কোনোটির আকার এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।   পুরুষদের ক্ষেত্রে সাধারণত পেনিসে নারীদের যোনীতে আলসার (ক্ষত) ধরা পড়ে। এছাড়া নারী ও পুরুষের পায়ুপথ,মলদ্বার ঠোট,জিহ্বা, হাত-পা ও মুখ এমনকি সমস্ত শরীরের চামড়ার উপরে আলসার (গভীর ক...

Gonorrhea গনোরিয়া এর হোমিও চিকিৎসা

ছবি
   গনোরিয়ার (Gonorrhea) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা    ★গনোরিয়া  সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ।       গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলনের ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়।        নারী-পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে তরল স্রাব /লিকুরিয়া /পুঁজ,কষ্টদায়ক প্রস্রাব -জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া জীবাণু ঘটিত  রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশন জনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে।     এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।   যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।    এ রোগের কারনে নিতম্বে চুলকানি হতে পারে।         মায়ো ক্লিনিক- অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ কর...