পোস্টগুলি

জুন, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ধ্বজভঙ্গের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

ছবি
     ​ধ্বজভঙ্গের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা        ধ্বজভঙ্গের কারণ সমূহ :- হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, লিংগে আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ প্রদাহ,/অণ্ডকোষে আঘাত প্রাপ্তি  দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ   ইত্যাদি কারণে এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে।    এরোগে যৌনশক্তিও সন্তান উৎপাদন লোপ পায়।        অনেক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ হিসাবে গন্য করেন না। তাঁরা মনে করেন ইহা যে কোন কঠিন জাতীয় পুরাতন রোগের বিশেষ লক্ষণ।     ♦ডক্টর হা’নেমানের মতে এ রোগ নিজ অর্জিত/জম্মগত প্রাপ্ত সোরা,সাইকোসিসও সিফিলিস মায়াজমের কুফল।   হরমোনের কারণে যৌন উত্তেজনা ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হওয়া ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ নয়।        কারো কারো মানষিক দুর্বলতা ও হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভংগের অবস্থা  প্রকাশ পায়।     অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি নানা প্রকার  কৃত্রিম উপায় বীর্য ক্ষয় করে শারীরিক মানষিক ভাবে দুর্বল হবার কারনে ধ্বজভংগের অবস্থা সৃষ্টি  হয়।    অ...

বাতের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​     বাত (আর্থ্রাইটিস) এটি একটিমাত্র রোগ নয় বরং একই পরিবারভুক্ত অনেকগুলো রোগের সমষ্টি। প্রায় ১০০টি বিভিন্ন ধরনের রোগ নিয়ে হয় বাতরোগ। এই রোগে প্রধানত অস বাত রোগ : কারণ ও প্রতিকার বাত একটি সিস্টেমিক ডিজিজ অর্থাৎ যা কিনা পুরো শরীরে প্রভাব ফেলে। অস্থিসন্ধিতে ইউরিক এসিড জমা হয়ে এ রোগের উৎপত্তি হয়। মূত্রের মাধ্যমে যে পরিমাণ স্বাভাবিক ইউরিক এসিড বেরিয়ে যায়, তার থেকে বেশি পরিমাণ ইউরিক এসিড যখন আমাদের যকৃৎ তৈরি করে তখনই তা রক্তের পরিমাণ বাড়ায়। অথবা খাবারের মাধ্যমে বেশি পরিমাণ ইউরিক এসিডের উৎস যেমন লাল মাংস, ক্রিম, রেড ওয়াইন ইত্যাদি গ্রহণ করলে এবং কিডনি রক্ত থেকে যথেষ্ট পরিমাণে তা ফিল্টার করতে না পারলে বাতের উপসর্গগুলো দেখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউরিক এসিড অস্থিসন্ধিতে ক্রিস্টালরুপে জমা হতে থাকে এবং তার পরে অস্থিসন্ধি ফুলে যায়, প্রদাহ ও ব্যথা হয় এবং সেই সঙ্গে অস্থিসন্ধি ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায়। বাত সাধারণত পায়ের আঙুলের অস্থিসন্ধিকে আক্রান্ত করে। রোগের প্রাদুর্ভাব : বাত সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে। মহিলাদের ক্ষেত্রে সাধারণত এটি রজঃনিবৃত্তির পর অর্থাৎ ...

জরায়ুর ইনফেকশনের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​     জরায়ুতে ইনফেকশন।            হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা     =========================== আমাদের দেশে কমবয়সী মহিলাদের (১৫-৫০) বছরের মধ্যে জরায়ুর ইনফেকশনের হার অনেক বেশি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) বলে। ৮৫% ক্ষেত্রে সাধারণত স্বাভাবিক ভাবে এটি হতে পারে। ১৫% ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে যেমন ডি অ্যান্ড সি, কপার টি, অ্যান্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি, হিস্টারোসালফিঙ্ গোগ্রাফি  নামক পরীক্ষার পর জীবাণু সংক্রামিত হতে পারে। দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে সাধারণত ২৫ বছরের কম মহিলাদের এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সে হয়।   মাসিক হয় এমন মহিলাদের যারা অবৈধ মেলা-মেশা, পিল বা কনডম ব্যবহার করে ,বা যাদের আগে  ইনফেকশন হয়েছে, বা যারা কপার টি ব্যবহার করে।  সাধারণত গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, ই. কলাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ব্যাকটেরয়েডস, ইত্যাদি জীবাণু দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে পুরুষের শুক্রাণু ও ট্রাইকোমোনাড হয়ে জীবাণুগুলো নরী যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে। পরে জীবাণুগুলো জরায়ু, নালী হয়ে ডিম্বাশয়ও আক্রমণ করে...

রহমানীয়া হোমিও ফার্মেসী (আদর্শ হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র) ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা, মিজান রোড ফেনী।

ছবি
​    বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম।       সু-খবর                  সু-খবর                সু-খবর                                                         ‘হোমিও ঔষুধ সেবন করুন, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ও সুস্থ থাকুন’ রোগ মুক্তির মালিক সৃস্টিকর্তা, মানুষ ও ঔষুধ  উছিলা মাত্র। তবে উছিলাটি হ’তে হ’বে  সঠিক,  সত্য ও নির্ভরযোগ্য।     মহান আল্লাহর রহমতে হা’নেমানের মতাদর্শে  উজ্জীবিত প্রায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন     ডাঃ আইয়ুব রহমানী এম এম; এস টি সি, এন ইউ;            ডি এইচ এম এস, বি এইচ বি, ঢাকা।  অধ্যাপক(অনাঃ) ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।  আপনার সকল রোগের চিকিৎসা হোমিও চিকিৎসা  নীতি অনুযায়ী নির্দোষ ও স্হায়ীভাবে দিয়ে থাকেন।       সে...

ভেজাইনাল ক্যান্সারের হোমিও চিকিৎসা

ছবি
​   ভ্যাজাইনাল ক্যান্সার (যোনির ক্যান্সার) হোমিও চিকিৎসা  ভ্যাজাইনাল ক্যান্সার  মহিলাদের জননতন্ত্রের একটি বিরল ধরনের ক্যান্সার, যা সব ধরনের ক্যান্সারের তুলনায় শতকরা 0.2% এরও কম হয়।  সাধারণত, এটি 60 বছর বয়সের উর্দ্ধের মহিলাদের মধ্যে দেখা যায় যখন যৌনমিলন বন্ধ হয়ে যায়। এই ক্যান্সারটি ভ্যাজাইনার মধ্যে দেখা যায়, যখন স্বাভাবিক স্বাস্থ্যবান কোষের মধ্যে পরিবর্তন হয় এবং সেটি অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বড় হয়ে টিউমারের আকার নেয়।  সাধারণ ধরন হল স্কুয়ামাস কোষ কার্সিনোমা। যেটি গ্রন্থিতে শুরু হয় সেটি অ্যাডেনো কার্সিনোমা নামে পরিচিত। কানেক্টিভ কার্সিনোমা প্রচণ্ড ও বিরল এবং সেটি সার্কোমা নামে পরিচিত। এর প্রধান লক্ষণ এবং উপসর্গঃ- প্রথমে উপসর্গগুলি লক্ষ্য করা যায়না, যদিও, একজন মানুষ যে লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি লক্ষ্য করতে পারেন সেগুলি হল: রজোবন্ধের সময় এবং পরে যোনি থেকে অস্বাভাবিক রক্তপাত। প্রস্রাব করার সময় যন্ত্রণা। যৌনমিলন করার সময় যন্ত্রণা। পেলভিক অঞ্চলে যন্ত্রণা। যোনিতে মাংসপিণ্ড। বাজে ধরনের যোনি স্রাব বা রক্তের ছোপযুক্ত যোনি স্রাব। যোনিতে চুলকানি। পিঠে ব্যথা। পায়ে ব্যথা। পা ফুলে যাওয়া। কোষ...

অনিয়মিত পিরিয়ড (মাসিক) বিভিন্ন উপসর্গ ও তার হোমিও চিকিৎসা।

ছবি
​    অনিয়মিত মাসিকের (পিরিয়ড) বিভিন্ন উপসর্গ ও তার হোমিও চিকিৎসা      মনোনিউক্লিওসিস, ঠাণ্ডা, সর্দি, গলার ইনফেকশন- এ ধরনের সমস্যায় পিরিয়ড দেরিতে হতে পারে। তবে বড় কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন থাইরয়েডের সমস্যা বা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের কারণেও পিরিয়ড দেরিতে হয়। নিয়মিত মাসিক হলে শরীরের হরমোনের ব্যালেন্স ঠিক থাকে। তবে অনিয়মিত পিরিয়ড বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করতে পারে।   নারীদের নিয়মিত  পিরিয়ড (মাসিক) হওয়াটাই স্বাভাবিক।  অনিয়মিত পিরিয়ড নারী স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।  অনিয়মিত পিরিয়ড বা একেবারেই পিরিয়ড বন্ধ থাকা মূলত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমের (POS) জন্য হয়। এ ছাড়াও  আরও অনেক কারন আছে যার জন্য অনিয়মিত পিরিয়ড হয়।     কারো কারো মাসিক চলাকালীন পেটব্যথা, পিঠব্যথা, বমি বমি ভাব উপসর্গ দেখা দেয়। আর যাদের এই মাসিক ঋতুচক্র প্রতি মাসে হয় না হয়ে দীর্ঘদিন পর পর দেখা দেয়  তখন তাকে অনিয়মিত পিরিয়ড বলে।  অনিয়মিত পিরিয়ড নারীদের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।          মাসিক অনিয়মিত কেন হয়   অনিয়মিত পিরিয়ড বা...