জরায়ুর ইনফেকশনের হোমিও চিকিৎসা



    জরায়ুতে ইনফেকশন।

           হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 

   ===========================

আমাদের দেশে কমবয়সী মহিলাদের (১৫-৫০) বছরের মধ্যে জরায়ুর ইনফেকশনের হার অনেক বেশি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে পেলভিক ইনফ্লেমেটরি ডিজিজ (PID) বলে। ৮৫% ক্ষেত্রে সাধারণত স্বাভাবিক ভাবে এটি হতে পারে। ১৫% ক্ষেত্রে বিভিন্ন কারণে যেমন ডি অ্যান্ড সি, কপার টি, অ্যান্ডোমেট্রিয়াল বায়োপসি, হিস্টারোসালফিঙ্ গোগ্রাফি  নামক পরীক্ষার পর জীবাণু সংক্রামিত হতে পারে। দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে সাধারণত ২৫ বছরের কম মহিলাদের এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সে হয়।


  মাসিক হয় এমন মহিলাদের যারা অবৈধ মেলা-মেশা, পিল বা কনডম ব্যবহার করে ,বা যাদের আগে  ইনফেকশন হয়েছে, বা যারা কপার টি ব্যবহার করে।


 সাধারণত গনোরিয়া, ক্ল্যামাইডিয়া, ই. কলাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ব্যাকটেরয়েডস, ইত্যাদি জীবাণু দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে পুরুষের শুক্রাণু ও ট্রাইকোমোনাড হয়ে জীবাণুগুলো নরী যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে। পরে জীবাণুগুলো জরায়ু, নালী হয়ে ডিম্বাশয়ও আক্রমণ করে।

        রোগে আক্রান্ত হলে-ঃ        

 তলপেটে ব্যথা, অতিরিক্ত রক্তস্রাব, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব, সহবাসে ব্যথা, মাসিক ছাড়া রক্তস্রাব।


                  জটিলতা

পেটের ভিতর ইনফেকশন ছড়িয়ে গিয়ে ডিম্বনালী ও ডিম্বাশয়ে চাকা হওয়া , পেরিটোনাইটিস ও সেপটিসেমিয়া নামক জটিলতা হতে পারে। একবার সংক্রমিত হলে বন্ধ্যত্ব হওয়ার সম্ভাবনা ১২%, দুইবার হলে ২৫%, এবং তিন বারের বেশি হলে এই সম্ভাবনা ৫০%। ঠিক মতো চিকিৎসা না হলে রোগটি ক্রনিক হতে পারে। 


                    রোগ নির্ণয়ঃ

    জরায়ু মুখের ও প্রস্রাবের রাস্তায় রস, এবং বার্থোলিন গ্ল্যান্ড এর রস নিয়ে জীবাণু নির্ণয় ও কালচার করে, এছাড়া রক্ত পরীক্ষা, সনোগ্রাফি করে রোগ নির্ণয় করা হয়।

        হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: 

হোমিওপ্যাথিতে  রোগের নামে নয়,রোগ লক্ষণ কেন্দ্রিক,রোগীর সামগ্রিক লহ্মনের ভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়া হয়।


হোমিওপ্যাথিতে দক্ষ চিকিৎসক লক্ষণ ভিত্তিক ওষুধ নির্বাচন করিয়া চিকিৎসা করিলে রোগী স্হায়ীভাবে আরোগ্গ লাভ করে।

এন্টিবাইওটিক  সেবন করলে কিছুদিন পর আবার ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 লক্খণ অনুযয়ী একো,আর্স,ক্যান্থারিস, এপিস মেল, ক্রিয়ো, এসিড নাইট, কেল্ক কার্ব, সিফিলি,মেডো,  কেল্ক  সালফ, স্যাবাইনা, সাই‌লে‌সিয়া  প্রয়োজন হতে পারে।

             

    বিঃ দ্রঃ- রেজিঃ চিকিৎক ছাড়া ওষুধ নির্বাচন ও

                    সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। 


                ডাঃ আইয়ুব রহমানী     

       DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU

   অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।

  যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন  

  রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।

  ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)  

               মিজান রোড -ফেনী।                                

      01829-618467 # 01815-970040


      

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

হস্থমৈথুন (মাস্টারবেশন)এর হোমিও চিকিৎসা