ধ্বজভঙ্গের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ধ্বজভঙ্গের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ধ্বজভঙ্গের কারণ সমূহ :- হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত স্ত্রী সঙ্গম, লিংগে আঘাত প্রাপ্তি, বহুমূত্র, সিফিলিস, গনোরিয়া, পুরাতন অন্ডকোষ প্রদাহ,/অণ্ডকোষে আঘাত প্রাপ্তি দীর্ঘকাল যাবৎ অজীর্ণ রোগ, স্নায়বিক রোগ ইত্যাদি কারণে এই লক্ষণটি দেখা দিতে পারে। এরোগে যৌনশক্তিও সন্তান উৎপাদন লোপ পায়।
অনেক চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইহাকে রোগ হিসাবে গন্য করেন না। তাঁরা মনে করেন ইহা যে কোন কঠিন জাতীয় পুরাতন রোগের বিশেষ লক্ষণ।
♦ডক্টর হা’নেমানের মতে এ রোগ নিজ অর্জিত/জম্মগত প্রাপ্ত সোরা,সাইকোসিসও সিফিলিস মায়াজমের কুফল।
হরমোনের কারণে যৌন উত্তেজনা ও যৌনতার স্থায়ীত্ব কম বেশি হওয়া ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ নয়।
কারো কারো মানষিক দুর্বলতা ও হীনমন্যতার জন্য ধ্বজভংগের অবস্থা প্রকাশ পায়।
অনেকেই যৌবন কালে কম বেশি নানা প্রকার কৃত্রিম উপায় বীর্য ক্ষয় করে শারীরিক মানষিক ভাবে দুর্বল হবার কারনে ধ্বজভংগের অবস্থা সৃষ্টি হয়।
অনেক সময় পুরুষের পেনিস সামান্য ছোট বড় হতে পারে, ইহা প্রকৃতিক ও বংশগত। অনেক পুরুষ ইহাকে যৌন কার্যে অক্ষম ও ধ্বজভঙ্গ মনে করেন । বেশি পরিশ্রম, পুষ্টির অভাব, দেহে উপযুক্ত প্রোটিন,ভিটামিন প্রভৃতির অভাবে এটি হতে পারে।
প্রকৃত ধ্বজভংগ দু প্রকার। ১. জম্মগত ২.মানষিক বা দৈহিক।
জন্মগত ভাবে হলে তার চিকিৎসা করা কঠিন।
জন্মগত ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-
যৌবন আগমনের সঙ্গে পুরুষোচিত গুনাবলীগুলি যথাযথ ভাবে বিকাশ লাভ করে না। দেহের নানা হরমোনের অভাবে স্নায়ুবিক - মানষিক দুর্বলতা ও হীনমন্যতা দেখা দেয়,যাতে করে - যৌবন আগমন হলেও যৌনইন্দ্রিয়ের কোনো উত্তেজনা থাকে না। পেনিস ঠিক মত শক্ত হয় না। কখনো কখনো অতি সামান্য দু'এক ফোটা বীর্যপাত হয়।
সর্বদাই এদের চরিত্রে নারী সুলভ ভাবভঙ্গি প্রকাশ পায়।অদ্ভুদ ধরনের হাবভাব প্রকাশ করে, যা সাধারনত কোন পুরুষের মধ্যে থাকে না।
এদের যৌন উত্তেজনা, পেনিসের উত্থান, বীর্যপাত প্রভৃতি কিছুই দেখা যায় না। আচার আচরণে বোকামি প্রকাশ পায়,এবং অনেক সময় মানুষ তাদের নিয়ে উপহাস ও কৌতক করে।
মানসিক বা দৈহিক ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ:-
অন্যের যৌন ক্ষমতা বেশি এবং নিজের কম এই ভেবে অনেক সময় মানসিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
যতটা দৈহিক বীর্য ক্ষয় হয় সে পরিমাণ খাবার। খায়না। উপযুক্ত প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতির অভাব /পেটের রোগ /অন্য কোন রোগে ভোগে।
হরমোন ক্রিয়ার কম বেশির জন্য, দীর্ঘকাল যাবৎ ধরে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন অথবা জন্মগত বা পৈত্রিক সূত্রে অনেকের পেনিস একটু ছোট হলে এর জন্য হিনমন্যতায় ভোগে।
অনেক সময় শুধু মাত্র মানসিক কারণেই এই লক্ষণ দেখা দেয়। তারা প্রকৃত পক্ষে যৌনতায় সুস্থ কিন্তু কৃত্রিমভাবে বীর্যক্ষয় করার কারণে ধ্বজভঙ্গের অবস্থা হয়।
অনেকের ক্ষেত্রে যৌন হরমোন বা অন্য কোন গ্রন্থির হরমোন সমান্য কিছু কম নিঃসরণের জন্য যৌন উত্তেজনা কিছুটা কম হতে পারে কিন্তু যথাযথ ট্রিটমেন্ট করলে হরমোনের এই গোলযোগ ঠিক হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে মানসিক দুর্বলতা অনেক সময় প্রকাশ পায়।
রোগ নির্ণয় :- স্ত্রী সহবাসের সময় পেনিসের উত্থান হয় না অথবা সামান্য মাত্র উত্থান হয়ে আবার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। পেনিসে উত্তেজনা দেখা যায় না বা অনেক কম। বীর্য স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি তরল, দেখতে জলের মত।বীর্যপাতের পর অস্বাভাবিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
জটিল উপসর্গ :-
যৌন আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়।দাম্পত্য সুখ শান্তি বিঘ্নিত হয়। সাংসারিক শান্তি নস্ট হয়।
জৈব চাহিদা মেটাতে স্ত্রী পর পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়।
স্ত্রী সর্বদাই মানসিক অশান্তিতে ভোগে এবং
স্বামীর প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তির অভাব সৃষ্টি হয়।
পুরুষের পুরুষোচিত গুনাবলীর বিকাশ হয় না।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুক্র কীট ঠিকমত না থাকার দরুণ সন্তান সৃষ্টি বিঘ্নিত হয়।
মনে কামভাব থাকলেও যৌন সুখ না থাকার দরুন মানসিক অবসাদ ও হতাশার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন যাবৎ এই জাতীয় হতাশায় ভুগলে অনেক ক্ষেত্রে মানসিক বৈকল্য দেখা দেয়।
হোমিও ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসাঃ-
দক্ষ চিকিৎসক রোগ-লক্ষণ সংগ্রহ করে ব্যক্তি- স্বাতন্ত্র্য অনু্যায়ী চিকিৎসা করিলে রোগী
স্থায়ীভাবে আরোগ্য লাভ করে।
লক্ষণ অনু্যায়ী ঃ- আর্জেন্ট অরাম এগ্নাস এনা এসিড ফ এসিড না বিউফো চায়না কেন্থারি ডায়োস জেলস গ্রাফাই লাইকো মস্কাস মেডো নেট মি সালফ সেলি জিংক ইত্যাদি
ওষুধ প্রয়োগ হতে পারে।
♦রেজিঃ চিকিৎসক ছাড়া ঔষুধ প্রয়োগ ও
সেবন নিষেধ।♦
♦ ডাঃ আইয়ুব রহমানী♦
DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU
অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।
যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন
রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।
ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)
মিজান রোড -ফেনী।
♦01829-618467 ♥ 01815-970040♦
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন