কিডনি পাথুরির হোমিও চিকিৎসা


     কিডনির বিভিন্ন রোগ (পাথুরি) উপসর্গ বা ব্যথা ও তার হোমিও চিকিৎসা। 

 কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা থেকে থেকে আসে, শোয়া-বসা বা কোনো কিছুতেই আরাম মেলে না।

 কোমরের পেছন দিকে হালকা চিনচিনে ব্যথা—    কিডনিতে পাথর বা খারাপ ধরনের সংক্রমণ  হলে ব্যথা করে।

 এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব মোর্শেদ বলেন, কোনো রকম ব্যথা-বেদনা ছাড়াও কিডনি খারাপ হতে পারে। কারণ, কিডনি সমস্যার উপসর্গ সাধারণত দেরিতে দেখা দেয়। তাই যাদের পরিবারে কিডনির অসুখ আছে, তাদের বেশি সচেতন থাকা উচিত। 


        কিডনি রোগের উপসর্গ বা ব্যথা

 কিডনিজনিত ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। এটি পেছনের পাঁজরের নিচের অংশে অনুভূত হওয়ার কথা। এই ব্যথা নড়াচড়া করে এবং কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে। এই ব্যথা  আসা- যাওয়া করে। শোয়া-বসা কোনো কিছুতেই আরাম পায়না। 

  এতে শরীরে পানি আসে, দুর্বলতা, অরুচি, বমির ভাব দেখা দেয়।

  সংক্রমণ হলে জ্বর হতে পারে এই ব্যথার সঙ্গে।

  প্রস্রাব ঘোলাটে, দুর্গন্ধ বা রক্ত থাকতে পারে।

  প্রস্রাবের পরিমাণ কম-বেশি হয়। রক্তশূন্যতা থাকতে পারে।


               কিডনি রোগের ঝুঁকি

   দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, সংক্রমণ, ব্যথানাশক বড়ি খাওয়া এবং পরিবারের কারও কিডনি অসুখ হওয়ার ইতিহাস, হার্টের সমস্যা, স্ট্রোক করলে, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান। এসব ঝুঁকির মধ্যে যাঁরা আছেন, তাঁদের উচিত নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শে থাকা।

   এ রোগ যে কোন বয়সে হতে পারে। বিভিন্ন সময় উপসর্গহীনভাবে চলতে থাকে। শেষ অবস্থায় গিয়ে ধরা পড়ে। যখন হয়তো তেমন কিছু করার থাকে না।

     এ রোগ প্রতিরোধের উপায়-

 এ রোগ ঝুঁকির মধ্যে থাকলে সচেতনতাই  প্রতিরোধ সম্ভব। কিডনি বান্ধব স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান পরিহার, অতিরিক্ত ব্যথার ওষুধ সেবন পরিহার করলেই ঝুঁকি সত্ত্বেও কিডনি অসুখ প্রতিরোধ সম্ভব।

  পানি বেশি খেলে কি কিডনি ভালো থাকে?

 একজন মানুষের পানি কতটুকু খেতে হবে, তা নির্ভর করে তার কাজের ধরন, দেহের আকার, পরিবেশ, আবহাওয়া ইত্যাদির ওপর। পর্যাপ্ত পানি পান কিডনিকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।  স্বাভাবিক আবহাওয়ায় দৈনন্দিন আট গ্লাস পানি পানই যথেষ্ট। তবে অতিরিক্ত ঘাম হলে পানি খাওয়ার পরিমাণ আরও বাড়াতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খেলে কিডনিতে পাথর হয় না এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম ঠিক থাকে।


          

        হোমিও ঔষধের মাধ্যমে চিকিৎসাঃ-

 দক্ষ চিকিৎসক রোগ-লক্ষণ সংগ্রহ করে ব্যক্তি- স্বাতন্ত্র্য  অনু্যায়ী চিকিৎসা করিলে রোগী     

            আরোজ্ঞ লাভ  করে।


                ডাঃ আইয়ুব রহমানী     

       DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU

   অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।

  যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন  

  রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।

  ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)  

               মিজান রোড -ফেনী।                                

      01829-618467#01815-970040

      

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

হস্থমৈথুন (মাস্টারবেশন)এর হোমিও চিকিৎসা