MND রোগের হোমিও চিকিৎসা
♦মটর নিউরন ডিজিজের হোমিও চিকিৎসা।
মটর নিউরন হচ্ছে এক ধরণের স্নায়ু, যা শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে।
মটর নিউরন ডিজিজ হলো এক ধরণের স্নায়ুক্ষয় রোগ, যাতে স্নায়ুতন্ত্রের কর্ম সম্পাদনকারী স্নায়ু ক্ষয় প্রাপ্ত হয়।
১৮৬৯ সালে ফ্রেঞ্চ নিউরোলজিস্ট জেন মার্টিন চারকোট, মটর নিউরন ডিজিজ প্রথম বর্ণনা করেন। এতে মটর নিউরন বা উচ্চ স্থানীয় স্নায়ু ও লোয়ার মটর নিউরন বা নিম্ন স্থানীয় স্নায়ু ক্ষয়ে যায়।
স্নায়ুতন্ত্রের যে অংশের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্থ হয় তা নিম্মরুপ-
১. মটর কর্টেক্স, যা মস্তিষ্কের যে অংশ কর্ম সম্পাদনের হেড কোয়ার্টার হিসাবে পরিচিত।
২. স্পাইনাল কর্ড বা শীরদাঁড়ার স্নায়ুতন্ত্র।
৩. ক্রেনিয়াল নার্ভ বা মস্তিষ্কজাত স্নায়ু।
মটর নিউরন ডিজিজ প্রধাণত চার ধরনের-
১. প্রোগ্রেসিভ মাস্কুলার এট্রফি।
২. প্রাইমারি লেটারাল স্ক্লেরোসিস।
৩. প্রোগ্রেসিভ বাল্বার পালসি।
৪. এমায়োট্রফিক লেটারাল স্কেরোসিস।
এমায়োট্রফিক লেটারাল স্ক্লেরোসিস (এএলএস) সব চেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই অনেক সময় মটর নিউরন ডিজিজকে এমায়োট্রফিক লেটারাল স্ক্লেরোসিস বলা হয়।
মটর নিউরন ডিজিজ সাধারণত ৫০-৬০ বছর বয়সে হয়ে থাকে। ১০% ক্ষেত্রে এই রোগ ৪৫ বছর বয়সের আগে হয়ে থাকে। বর্তমানে ৩০ বছর বয়সেও আক্রান্ত হচ্ছে।
১। মটর নিউরন ডিজিজ আক্রান্তের সুস্পষ্ট কারণ আজও জানা যায়নি।
কোন বংশে হঠাৎ একজনের দেখা দেয়।
২. ১০% ক্ষেত্রে বংশানুক্রমিক হতে দেখা যায়।
৩. ২০% ক্ষেত্রে কোষের ৯ নং ক্রোমোজোমের সমস্যা দেখা যায়।
সাধারণত এই রোগ শরীরের যেকোন এক স্থান হতে শুরু হয়।
১. লিম্ব অনসেট বা হাত-পা দিয়ে শুরুঃ ফুট ড্রপ হতে পারে, যাতে পায়ের পাতা নীচের দিকে ঝুলে যায়। হাতের আঙ্গুলের কাজে সমস্যা হতে পারে।
২. বাল্বাবার অনসেট বা মস্তিষ্কের বাল্ব নামক অংশের স্নায়ুতে সমস্যাঃ এতে খেতে, কথা বলতে ইত্যাদি।
৩. রেসপাইরেটরি অনসেট বা শ্বাস-প্রশ্বাস দিয়ে শুরুঃ রেসপাইরেটরি ফেইলিউর, ফুসফুস তার শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষমতা হারায়, যা সাধারণত রোগের শেষ মুহুর্তে হয়ে থাকে।
৪. এতে শরীরের ত্বকের অনুভূতি শক্তি কমে না, দৃষ্টি শক্তি কমে না। কিন্ত অনেকের শরীরের মাংসে কামড়ানো ব্যথা অনুভূত হয়।
৫. আগে মনে করা হত এই রোগে ব্রেইনের ইন্টেলেকচুয়াল কাজ ঠিক থাকে। কিন্ত দেখা গেছে ৫০% ক্ষেত্রে ব্রেইনের ইন্টেলেকচুয়াল কাজের সামান্য ঘাটতি দেখা যায়। এমনকি ১০% ক্ষেত্রে ডিমেনসিয়া বা সৃতিভ্রষ্ট রোগ ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনসিয়া হতে পারে।
আবার ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনসিয়া রোগীদের ১০% ক্ষেত্রে মটর নিউরন ডিজিজ হতে পারে।
সাধারণত রোগীর উপসর্গ দেখেই রোগ শণাক্ত করা যায়। তারপরও কিছু রক্ত পরীক্ষা ইএমজি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হয়। অন্য রোগ হতে পার্থক্য করতেও কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। যেমন- ঘাড়ের এমআরআই পরীক্ষা।
মটর নিউরন ডিজিজের রোগী
সঠিক চিকিৎসা না হলে সাধারণত ৩-৫ বছরের বেশি বাঁচে না। ১০% রোগী ১০ বছরের
কিছু বেশি বাঁচতে পারে।
মটর নিউরন ডিজিজে
অধিকাংশ ক্ষেত্রে রেসপাইরেটরি ফেইলিউর অর্থাৎ ফুসফুসের শ্বাস-প্রশ্বাসের অক্ষমতার ফলে রোগী মৃত্যুবরণ করে।
আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে এ রোগের এখনও পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়নি।
হোমিওপ্যাথি মতে- বংশানুক্রমিক ভাবে প্রাপ্ত/ নিজ অর্জিত গনোরিয়া সিফিলিস সাথে টিউবারকোলসিস মায়াজম যে শরীরে থাকে সে সব শরীরে এ রোগ আক্রান্ত করে।
হোমিও চিকিৎসা
হোমিওপ্যাথিতে রোগের নয়,বরং
রোগীর চিকিৎসা করা হয়- তাই -ঃ --
দক্ষ চিকিৎসক রোগ-লক্ষণ সংগ্রহ করে ব্যক্তি- স্বাতন্ত্র্য অনু্যায়ী চিকিৎসা করিলে রোগী
আরোগ্য লাভ করে।
♦ ডাঃ আইয়ুব রহমানী♦
DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU
অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।
যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন
রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।
ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)
মিজান রোড -ফেনী।
01829-618467#01815-970040
লক্ষণ অনু্যায়ী ঃ- অরাম আর্জেন্ট নাইট এ নাইট ক্যাল্ক কা ক্যাল্ক ফস লাইকো মেডো নেট মি সালফ সিপিয়া থুজা জিংক লক্ষণ ভেদে ইত্যাদি ওষুধ প্রয়োগ হতে পারে।
বিঃ দ্রঃ
♦ রেজিঃ - চিকিৎসক ছাড়া ওষুধ
নির্বাচন ও সেবন নিষেধ।♦
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন