Gonorrhea গনোরিয়া এর হোমিও চিকিৎসা

  

গনোরিয়ার (Gonorrhea) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 

  ★গনোরিয়া  সাধারণত নারী-পুরুষ উভয়ের হতে পারে। এটি কষ্টদায়ক যৌন সংক্রামক রোগ। 

     গনোরিয়া রোগটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলনের ২-১০ দিন পরই এ রোগের লক্ষণ দেখা যায়। 

      নারী-পুরুষের যৌনাঙ্গ দিয়ে তরল স্রাব /লিকুরিয়া /পুঁজ,কষ্টদায়ক প্রস্রাব -জ্বালাপোড়া এ রোগের উপসর্গ। প্রকৃতপক্ষে এটি একটি ব্যাকটেরিয়া জীবাণু ঘটিত  রোগ। এটা পুরুষাঙ্গ, সারভিক্স বা জরায়ুর ছিদ্র, রেকটাম মলাশয় বা পায়ু, গলা ও চোখকে আক্রান্ত করতে পারে। এই ইনফেকশন জনিত কারণে বন্ধ্যাত্বও দেখা দিতে পারে। 

   এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার হার প্রতিনিয়ত বাড়ছে। 

 যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) উপাত্তে দেখা যায়, ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালে পুরুষদের মধ্যে গনোরিয়ার হার দ্বিগুণ হয়েছে।

   এ রোগের কারনে নিতম্বে চুলকানি হতে পারে।

        মায়ো ক্লিনিক- অনুসারে, গনোরিয়া মলদ্বারকেও আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে মলদ্বারীয় চুলকানি ও ডিসচার্জ বা রক্তপাত হতে পারে। এছাড়া ডায়রিয়া হতে পারে এবং প্রাকৃতিক কর্ম সারার সময় ব্যথা অনুভব হতে পারে।

    গলা ব্যথাও হতে পারে

    ওরাল সেক্স থেকেও গনোরিয়া হতে পারে। গলায় গনোরিয়া ডেভেলপ হওয়া অনেক লোকের উপসর্গ দেখা দেয় না।  কারো কারো গলাব্যথা হতে পারে এবং লসিকা গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে।

      ব্যথা বা ফোলা

গনোরিয়া ইনফেকশন পার্শ্ববর্তী স্থানে, যেমন- অণ্ডথলি ও অণ্ডকোষে আক্রান্ত করিলে  এপিডিডাইমিসে প্রদাহ হতে পারে, যার সঙ্গে থাকতে পারে কুঁচকি ব্যথা।

                        গর্ভাবস্থায় 

     গনোরিয়ার জীবাণু গর্ভবতী নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। যার কারনে জরায়ুর বাইরে গর্ভধারণ হতে পারে। গনোরিয়ায় আক্রান্ত হলে শিশু জন্মের সময়ে মায়ের যোনি থেকে তার চোখে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুকে চিকিৎসা না করলে তার চোখে প্রদাহ হবে এবং সে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।গনোরিয়ার জীবাণু নারীদের জননতন্ত্রের মধ্যে বিচরণ করে ডিম্ববাহী নালিতে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে বন্ধ্যাত্ব ঘটতে পারে। 

              রোগ নির্ণয় ও পরীক্ষা 

   এক্ষেত্রে রোগীর বিস্তারিত ইতিহাস জেনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। যদি স্বল্পস্থায়ী আক্রমণ হয়ে থাকে তাহলে পুরুষের ক্ষেত্রে প্রস্রাবের রাস্তা থেকে নিঃসরিত পদার্থ এবং নারীদের মূত্রনালি ও জরায়ু নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। 

       দীর্ঘমেয়াদি হলে প্রস্টেটগ্রন্থি ম্যাসাজের পর নিঃসরিত পদার্থ পরীক্ষা করতে হবে। এছাড়াও কালচার ও সেনসিটিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।

                     চিকিৎসা 

    সাধারণত আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে পেনিসিলিন দিয়ে  চিকিৎসা দেয়া হয়।পেনিসিলিন রেজিস্টেন্ট ব্যক্তিকে সেনসিটিভ ওষুধে চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। 

 গনোরিয়ার জটিলতায় মূলত এসব চিকিৎসায় রোগ-লক্ষণ রূপান্তরিত হয়।

         কিশোর-কিশোরীরা এ রোগে আক্রান্ত হলে লজ্জাবশতঃ অভিভাবক কে না জানানোর কারনে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে জীবন দুর্বিষহ হয় যায়।অনেক ক্ষেত্রে আত্মহত্যাও করতে চায়/করে।

      বিশেষ রোগ- লক্ষণঃ- প্রস্রাবের আগে/পরে - বীর্যপাত /পূয / রক্ত, জ্বালা-যন্ত্রণা, অধিক স্বপ্নদোষ হস্থমৈথুন  লিকুরিয়া জ্বালা-যন্ত্রণা।

                  হোমিওপ্যাথিতে 

দক্ষ চিকিৎসক রোগ-লক্ষণ সংগ্রহ করে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে রোগী স্হায়ীভাবে রোগ থেকে আরোগ্গ লাভ করে।

  

                ডাঃ আইয়ুব রহমানী 

      DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU.

   অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।

    যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন 

   রোগ  চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।

        ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট

        (২য় তলা)মিজান রোড -ফেনী। 

       01829-618467 # 01815-970040



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

হস্থমৈথুন (মাস্টারবেশন)এর হোমিও চিকিৎসা