শুক্রমেহ /শুক্রক্ষরনের হোমিও চিকিৎসা

        

   জরায়ু নিচে নেমে যাওয়ার হোমিও চিকিৎসা 

                   ডাঃ আইয়ুব রহমানী     

       DHMS.BHB.MM.BMB.STC.NU

    অধ্যাপক(অনাঃ) ফেনী হোমিও মেডিকেল

                           কলেজ।

    যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন  

   রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।

  ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)  

            মিজান রোড -ফেনী। বাংলাদেশ                              

      01829-618467 #  01815-970040

     

কিছু মাংসপেশি ও লিগামেন্ট জরায়ুকে নির্দিষ্ট জায়গায় ধরে রাখতে সাহায্য করে। জন্মগতভাবে যদি কারও এ কাঠামো দুর্বল থাকে, তবে এ সমস্যা হতে পারে। সন্তান প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ সম্পূর্ণভাবে খোলার আগেই যদি অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করিলে-,তখনো এ সমস্যা হতে পারে।


    সন্তান প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ সম্পূর্ণভাবে খোলার আগেই যদি অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করা হয়।


   প্রসবব্যথা যদি ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয় এবং প্রসবকালে জরায়ু নিচের দিকে নেমে যায়।


     এক সন্তান নেওয়ার পর স্বল্প বিরতিতে আরেক সন্তান নিলে। 

     বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জরায়ুর মাংসপেশিসহ সহায়ক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়লে।


   অনেক দিন ধরে কাশি, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে।


    প্রসব-পরবর্তী যত্ন সঠিকভাবে না নিলে এবং ভারী জিনিস ওঠানোর কাজ করলে।


                        বুঝার উপায়। 

    তলপেটে ও যোনিপথে কোনো কিছু নিচের

       দিকে নেমে যাওয়ার মতো অস্বস্তিকর

                          অনুভূতি হলে।

      মাসিকের পথে জরায়ু বের হয়ে এলে।


   কোমরে ও সহবাসের সময় ব্যথা হলে।


   প্রস্রাব ঘন ঘন হওয়া বা প্রস্রাব অসম্পূর্ণ হওয়ার মতো অনুভূতি হলে।


    কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা পায়খানা সম্পূর্ণ হয়নি

                বলে অনুভূত হলে।


   সাদা স্রাব বা লালচে স্রাব হলে।


                      চিকিৎসা

     জরায়ুর মুখ কিছুটা বা সম্পূর্ণ বেরিয়ে এলে অবশ্যই চিকিৎসার প্রয়োজন। ব্যায়ামে (কেগেল এক্সারসাইজ) পেলভিক মাংসপেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে। বয়স কম এবং সন্তান নিতে আগ্রহীদের ক্ষেত্রে জরায়ু আগের জায়গায় প্রতিস্থাপন করাই হলো চিকিৎসা। সন্তান নিতে আগ্রহী না হলে অথবা বয়স ৫০ বছরের বেশি এবং মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে, এমন রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা মতে জরায়ু কেটে ফেলা হয়।


                           সতর্কতা

   প্রসব-পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। সাধারণভাবে বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসবের পর ছয় মাসের মধ্যে কোনো ভারী কাজ করা চলবে না।


  প্রসব-পরবর্তী যথাসম্ভব দ্রুত স্বাভাবিক হাঁটাচলা শুরু করা উচিত।


   জরায়ুর আশপাশের মাংসপেশিগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়াম আছে। এগুলো নিয়মিত করা উচিত।


   দীর্ঘমেয়াদি কাশি ও কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে চিকিৎসা করাতে হবে।

      

    দক্ষ চিকিৎসক রোগ-লক্ষণ সংগ্রহ করে

    ব্যক্তি- স্বাতন্ত্র্য  অনু্যায়ী চিকিৎসা করিলে 

            রোগী  আরোজ্ঞ লাভ  করে।

        লক্ষণ অনু্যায়ী ঃ- আর্নিকা অরাম এগ্নাস  গ্রাফাই লাইকো মেডো  নেট মি সালফ সেলি পডো রুটা  জিংক লক্ষণভেদে

          ইত্যাদি ওষুধ প্রয়োগ হতে পারে।


  রেজিঃ চিকিৎসক ছাড়া ঔষুধ প্রয়োগ ও সেবন

                               নিষেধ



      

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

হস্থমৈথুন (মাস্টারবেশন)এর হোমিও চিকিৎসা