গর্ভকালীন ৫টি মারত্মক ব্যাধি


      গর্ভবতীর ৫টি  মারাত্মক অবস্থা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 

    মনে রাখতে হবে আমাদের দেশে প্রসবকালে মা ও শিশু মৃত্যুর হার বেশি।


গর্ভকালীন মাকে বাড়তি যত্ন নিতে হবে তার পরিবার থেকে।


তবে নিচের পাঁচটি বিষয় গর্ভবতীর মধ্যে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে।


সেগুলো হলো :


১. হঠাৎ রক্তপাত শুরু হলে :

প্রসবের সময় ছাড়া গর্ভাবস্থায় যেকোনো সময় রক্তক্ষরণ বা প্রসবের সময় বা প্রসবের পর খুব বেশি রক্তক্ষরণ বা গর্ভফুল না পড়া বিপদের লক্ষণ। তাই এ রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে কোনো রকম চিন্তা না করে পরিবারের সবারই উচিত মাকে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।  অন্যথায় বাচ্চা এবং মা দু’জনের জীবনেই হুমকি ডেকে আনতে পারে।


২. খিচুনি হলে :

গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর যেকোনো সময় যদি খিচুনি দেখা দেয় তবে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে মাকে ভর্তি করাতে হবে। খিচুনি একলামসিয়ার প্রধান লক্ষণ। তাই দ্রুত পদক্ষেপ ও চিকিৎসায় বাচ্চা এবং মা দু’জনের জীবনকেই রক্ষা করতে পারে। তা না হলে এ রোগে দু’জনই মারা যেতে পারে।


৩. চোখে ঝাপসা দেখা বা তীব্র মাথাব্যথা হলে :

গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর শরীরে পানি আসা, খুব বেশি মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা পাঁচটি প্রধান বিপদ চিহ্নের মধ্যে একটি। তাই এ ব্যাপারে মায়েদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। যদিও গর্ভাবস্থায় মায়ের পায়ে সামান্য পানি আসা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। একটু বেশি হাঁটলে এ পানি চলেও যায়। কিন্তু যদি পায়ে অতিরিক্ত পানি আসে এবং অস্বস্তির সৃষ্টি করে ও পা ভারি হয়ে আসে তবে চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে।।


৪. ভীষণ জ্বর হলে :

গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর তিন দিনের বেশি জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব প্রধান বিপদ চিহ্নের একটি। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় যদি কেঁপে কেঁপে ভীষণ জ্বর আসে এবং প্রসাবের সময় জ্বালাপোড়া হয় তবে তা অনেক সময় মূত্রনালির সংক্রমণের ইঙ্গিত বহন করে। সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসা করলে অল্প সময়ে এ জটিলতা দূর হয়ে যায়।


৫. বিলম্বিত প্রসব হলে :

প্রসবব্যথা যদি ১২ ঘণ্টার বেশি হয় অথবা প্রসবের সময় যদি বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ বের হয়ে আসে, তবে বাসাবাড়িতে প্রসবের চেষ্টা না করে সবারই উচিত মাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।


গর্ভবতীকে লক্ষ রাখতে হবে :

গর্ভবতী মায়েদেরও কিছু বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে


বাচ্চার নড়াচড়া

গর্ভাবস্থায় সাধারণত মা ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করেন। পেটের ভেতর বাচ্চা ঘুমায় ও খেলা করে, যার অনুভূতি মা বাইরে থেকে বুঝতে পারেন। বাচ্চার নড়াচড়ার একটা নির্দিষ্ট সীমা এবং সময় রয়েছে যা শুধু মা-ই অনুভব করেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হলে মা সেটা খুব দ্রুত বুঝতে পারেন। বাচ্চার অধিক নড়াচড়া বা কম নড়াচড়া দু’টিই ক্ষতিকর। 


রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া

গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর মায়ের রক্তচাপ লক্ষ রাখা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় মায়ের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় এবং এটি একলামসিয়ার একটি লক্ষণও। তাই যাঁরা আগে থেকেই রক্তচাপে আক্রান্ত বা গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের উচিত দ্রুত  চিকিৎসা নেয়া। 


তলপেটে তীব্র ব্যথা:

গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে (সাধারণত তিন মাসের মধ্যে) যদি কোনো সময় তলপেটে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, রক্তক্ষরণ ও পেট শক্ত হয়ে যায় তবে দ্রুত ডাক্তারকে দেখানো উচিত। এ ক্ষেত্রে জরায়ু ছাড়া নালিতে (অন্যান্য স্থান যেমন : পেটের ভেতর, ডিম্বাশয়ের মধ্যে ইত্যাদি) গর্ভধারণ (যা একটোপিক প্রেগন্যান্সি নামে পরিচিত) হয়ে থাকে এবং অনেক সময় এটি ফেটে গিয়ে মায়ের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।


 হোমিওপ্যাথি  চিকিৎসা ঃ-

 

 দক্ষ হোমিও চিকিৎসক - গর্ভের প্রথম থেকে লক্ষন অনুযায়ী হোমিও ঔষুধ প্রয়োগ করিলে উপরোক্ত রোগ থেকে মুক্তি ও সুপ্রসব -সুস্থ সন্তান লাভ করা যায়।


ডাঃ আইয়ুব রহমানী DHMS.BHB.MM.STC.NU

   অধ্যাপক ফেনী হোমিও মেডিকেল কলেজ।

  যৌন রোগসহ সকল জটিল ও কঠিন  

  রোগ চিকিৎসায় ৪০ বৎসরের অভিজ্ঞ।

  ফেনী আলীয়া মাদ্রাসা মার্কেট (২য় তলা)

  মিজান রোড -ফেনী। ০১৮২৯-৬১৮৪৬৭

        

    




মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Syphilis সিফিলিস এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

হাঁপানির হোমিও চিকিৎসা

হস্থমৈথুন (মাস্টারবেশন)এর হোমিও চিকিৎসা